মূলত Indian Act XLV of 1860-এর ভিত্তিতে তৈরি এবং ১৮৬১ সালে মিয়ানমারে ရာဇသတ်ကြီး নামে প্রকাশিত Penal Code-এ বহু সাধারণ অপরাধ ও দায়বদ্ধতার নীতি নির্ধারিত। এতে অভিপ্রায় ও জ্ঞান, প্ররোচনা, চেষ্টা, অভিন্ন অভিপ্রায় এবং সাধারণ ব্যতিক্রম রয়েছে। Code of Criminal Procedure 1898 প্রক্রিয়ার ধাপ নির্ধারণ করে; Evidence Act প্রমাণের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করে। Myanmar Legal Information System-এ হালনাগাদ আইন দেখা যায়, তবে ব্যাখ্যার ক্ষেত্রে বার্মিজ মূল পাঠই প্রাধান্য পেতে পারে। সাধারণ মামলা সাধারণত থানায় তথ্য বা অভিযোগ দেওয়া দিয়ে শুরু হয়। তদন্তে মামলা নথিভুক্ত করা, জিজ্ঞাসাবাদ, তল্লাশি, জব্দ এবং বিবৃতি বা চিকিৎসা-প্রমাণ সংগ্রহ থাকতে পারে। Code of Criminal Procedure-এর section 54-এর আওতায়, আমলযোগ্য অপরাধ সম্পর্কে অভিযোগ, বিশ্বাসযোগ্য তথ্য বা যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ থাকলে পুলিশ পরোয়ানা ছাড়া গ্রেপ্তার করতে পারে। আইন আমলযোগ্য ও অনামলযোগ্য এবং জামিনযোগ্য ও অজামিনযোগ্য অপরাধের পার্থক্য করে; এসব শ্রেণি গ্রেপ্তার ও মুক্তিকে প্রভাবিত করে। সাধারণত অভিযুক্তকে ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে আনা হয়; ম্যাজিস্ট্রেট রিমান্ড দিতে পারেন, এরপর অভিযোগ গঠন, প্রসিকিউশন ও বিচার চলে। section 167-এর আদেশ ছাড়া পুলিশি হেফাজত সাধারণত ২৪ ঘণ্টার বেশি হতে পারে না; ভ্রমণ, নিরাপত্তা ও জরুরি অবস্থার ব্যতিক্রম সাপেক্ষে সংবিধানও সাধারণত ম্যাজিস্ট্রেটের রিমান্ড ছাড়া ২৪ ঘণ্টার হেফাজত সীমিত করে। অভিযুক্তকে অভিযোগ জানাতে হবে; তিনি আইনজীবী চাইতে, প্রমাণ চ্যালেঞ্জ করতে, অপরাধ ও আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে জামিন বা জামিনদারসহ বন্ড চাইতে এবং আপিল বা রিভিশন প্রক্রিয়া ব্যবহার করতে পারেন। সংবিধানে আত্মপক্ষ সমর্থন ও আপিলসংক্রান্ত বিচারনীতি রয়েছে; section 378-এ habeas corpus, mandamus, prohibition, quo warranto ও certiorari-সহ রিটের ব্যবস্থা আছে। Legal Aid Law 2016 যোগ্য ব্যক্তিদের জন্য ইউনিয়ন, অঞ্চল বা রাজ্য এবং টাউনশিপ পর্যায়ে Legal Aid Board-এর ব্যবস্থা করে। ব্যক্তিগত আইনজীবী, অনুবাদ, নথির কপি, যাতায়াত ও জামিনসংক্রান্ত খরচ বদলে যায়; নির্ভরযোগ্য, একরূপ জাতীয় খরচ বা সময়সূচি নেই। OHCHR-এর নথিতে বিলম্বিত বিচার, গোপনে আটক, আইনজীবীর প্রবেশে বাধা ও দুর্বল বিচারিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবহারিক সমস্যা রয়েছে; ফলে সাধারণ আইনি কাঠামো সব স্থানে একই ফল নিশ্চিত করে না। সম্ভাব্য শাস্তির মধ্যে জরিমানা, বাজেয়াপ্ত বা জব্দ, সাধারণ বা সশ্রম কারাদণ্ড, যাবজ্জীবন এবং Penal Code বা বিশেষ আইনের অধীনে মৃত্যুদণ্ড রয়েছে। মিয়ানমারে যাবজ্জীবন মানে মৃত্যু পর্যন্ত কারাবাস। OHCHR-এর ২০২৪ সালের একটি চিত্রে সামরিক-নিয়ন্ত্রিত আদালতে দেওয়া ১৭১টি মৃত্যুদণ্ডের তথ্য ছিল—এর মধ্যে ৪৪টি অনুপস্থিতিতে—এবং ২০২৪ সালে কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর ছিল না; জাতিসংঘ ২০২২ সালে চার রাজনৈতিক বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনাও নথিভুক্ত করেছে। পাচার, সন্ত্রাস, মাদক, দুর্নীতি, সড়ক অপরাধ ও ডিজিটাল কর্মকাণ্ডে বিশেষ আইন অপরাধ, গ্রেপ্তারের ক্ষমতা, প্রমাণের নিয়ম, আদালতের এখতিয়ার বা শাস্তি বদলাতে পারে। Prevention and Suppression of Trafficking in Persons Law-এ Anti-Trafficking Central Body, তদন্ত, ভুক্তভোগী ও সাক্ষী সুরক্ষা, আশ্রয়কেন্দ্র এবং প্রত্যাবর্তন, পুনর্বাসন বা পুনঃএকত্রীকরণ সহায়তাসহ বিশেষ কাঠামো রয়েছে। সাধারণ ফৌজদারি মামলায় নির্ভরযোগ্য সর্বজনীন ভুক্তভোগী-সহায়তা বা ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থা নেই। ভুক্তভোগী পুলিশে অপরাধ জানাতে এবং রাষ্ট্রপক্ষের মামলায় অংশ নিতে পারেন; দেওয়ানি ক্ষতিপূরণ বা পুনরুদ্ধার পৃথক আইনি বিষয়। Child Rights Law 2019 অনুযায়ী অপরাধের সময় ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি শিশু। Juvenile Court শিশুবান্ধব ব্যাখ্যা, সীমিত শুনানি, বিকল্প নিষ্পত্তি, বন্ড, অভিভাবকের অংশগ্রহণ, অস্থায়ী পরিচর্যা ও পুনর্বাসন ব্যবহার করে; কারাদণ্ড সর্বশেষ উপায় এবং সম্ভব হলে স্বল্পতম সময়ের জন্য হওয়া উচিত। বয়সের প্রমাণ প্রয়োজন, কিন্তু সংঘাত ও প্রবেশাধিকারের কারণে বাস্তবে এসব সুরক্ষা কার্যকর নাও হতে পারে। Road Safety and Motor Vehicle Management Law 2020 ও ২০২২ সালের বিধি কিছু সড়ক অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করে; Nay Pyi Taw, Yangon ও Mandalay-এ Motor Vehicle Court থাকার খবর রয়েছে। ডিজিটাল অপরাধ Electronic Transactions Law 2004-এর আওতায় পড়তে পারে: section 33-এ রাষ্ট্র, নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা ও সংশ্লিষ্ট বিস্তৃত কাজের জন্য ৭ থেকে ১৫ বছরের শাস্তি; section 34-এ হ্যাকিং, পরিবর্তন, ধ্বংস, আড়ি পাতা বা অননুমোদিত পরিচয়তথ্যের জন্য সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড বা জরিমানা রয়েছে। Cybersecurity Law 2025 প্রণীত হয়েছে, তবে এর কার্যকারিতা শুরুর তারিখ ও বিজ্ঞপ্তি হালনাগাদভাবে যাচাই করতে হবে। সামরিক আইন ঘোষিত এলাকায় কমান্ডার মামলাটি বিদ্যমান আইনের আদালত বা সামরিক আদালতে পাঠাতে পারেন। সংক্ষিপ্ত সামরিক আদালত মৃত্যুদণ্ড, সীমাহীন কঠোর শ্রমসহ কারাদণ্ড বা আইনে নির্ধারিত সর্বোচ্চ শাস্তি দিতে পারে। তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সাধারণ আপিল নেই, তবে ১৫ দিনের মধ্যে সিদ্ধান্ত বাতিলের আবেদন করা যায়; মৃত্যুদণ্ডে SAC চেয়ারপারসনের অনুমোদন লাগে। SAC-এর নিয়ন্ত্রণের বাইরে EAO, NUG বা স্থানীয় বিচার সংস্থা বিচারিক কাজ করতে পারে; তবে তাদের আইনি ক্ষমতা, প্রবেশাধিকার ও নিরাপত্তা ভূখণ্ডভেদে নির্ভর করে এবং ইউনিয়ন আদালতের স্বয়ংক্রিয় সমতুল্য নয়। তাই চলমান মামলায় নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ, অভিযোগের ধারা, আটকস্থল, আইনজীবীর সুযোগ, ভাষা, জামিনের অবস্থা ও বর্তমান নিরাপত্তা আদেশ যাচাই করা উচিত।
মিয়ানমারে ফৌজদারি আইন
মিয়ানমারের ফৌজদারি আইন অপরাধ, ব্যক্তিগত দায়, তদন্ত, বিচার, শাস্তি এবং অভিযুক্ত, দণ্ডিত ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির অধিকার নির্ধারণ করে। এর প্রধান কাঠামো ২০০৮ সালের সংবিধান—২০২০ সালে সংশোধিত—Penal Code, Code of Criminal Procedure, Evidence Act ও বিশেষ আইন নিয়ে গঠিত। সাধারণ মামলায় পুলিশ, কৌঁসুলি ও আদালত কাজ করে; তবে প্রবেশাধিকার ও আইন প্রয়োগ খণ্ডিত এবং সামরিক আইন বা নির্দিষ্ট ভূখণ্ডে অ-রাষ্ট্রীয় বিচারব্যবস্থায় বদলে যেতে পারে। রাজনৈতিক-নিরাপত্তা, সন্ত্রাস, ডিজিটাল, মাদক, পাচার, কিশোর ও সড়ক-সংক্রান্ত মামলায় বিশেষ নিয়ম থাকতে পারে।
Tip
মিয়ানমারে ফৌজদারি বিষয়কে একই সঙ্গে আইনি ও অবস্থাননির্ভর নিরাপত্তার বিষয় হিসেবে দেখুন। সাধারণ প্রক্রিয়াগত সুরক্ষার ওপর নির্ভর করার আগে সঠিক অভিযোগ, নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ, আটকস্থল, আদালত, ভাষা, আইনজীবীর সুযোগ ও জামিনের অবস্থা নিশ্চিত করুন। প্রমাণ সংরক্ষণ করুন এবং দ্রুত বিশ্বস্ত আইনজীবী বা পাওয়া গেলে Legal Aid Board-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন—বিশেষত রাজনৈতিক-নিরাপত্তা, ডিজিটাল, সন্ত্রাস, মাদক, পাচার, কিশোর, সংঘাতপূর্ণ এলাকা বা সামরিক আইন-সংক্রান্ত মামলায়।

