যুক্তরাজ্যে নিরাপত্তার দায়িত্ব ব্যক্তি, জরুরি পরিষেবা, স্থানীয় কাউন্সিল, পরিবহন সংস্থা, স্কুল, নিয়োগকর্তা এবং সম্পত্তির মালিকদের মধ্যে ভাগ করা। England, Scotland, Wales এবং Northern Ireland-এ নিয়ম ও পরিষেবায় কিছু পার্থক্য থাকতে পারে, তবে মৌলিক পদ্ধতি প্রায় একই। জীবনের প্রতি তাৎক্ষণিক হুমকি, গুরুতর অপরাধ চলমান থাকা, আগুন লাগা বা অন্য কোনো বড় জরুরি অবস্থায় 999 অথবা 112-এ কল করুন। অপারেটর জানতে চাইবেন কোন পরিষেবা প্রয়োজন এবং কোথায় সহায়তা পাঠাতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ কিন্তু জরুরি নয়—এমন পুলিশি বিষয়ে 101 হলো সাধারণ অ-জরুরি নম্বর। প্রাণঘাতী বলে মনে না হলেও জরুরি স্বাস্থ্যসংক্রান্ত উদ্বেগে জাতীয় স্বাস্থ্যসেবা (NHS) 111 পরামর্শ দেয়, যদিও যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন অংশে এর সঠিক পরিষেবা ব্যবস্থা ভিন্ন হতে পারে। দৈনন্দিন ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সচেতনতা ও সহজ পরিকল্পনা দিয়ে শুরু হয়। বেশি ব্যবহৃত পথ বেছে নেওয়া, ফোনে চার্জ রাখা, যাত্রার তথ্য বিশ্বস্ত কারও সঙ্গে ভাগ করা এবং অ্যালকোহল বা অপরিচিত জায়গায় বিচক্ষণ থাকা এড়ানো যায় এমন ঝুঁকি কমাতে পারে। যুক্তরাজ্যে সড়ক ব্যবহারকারীরা সাধারণত বাম দিকে গাড়ি চালান। পথচারীদের রাস্তা পার হওয়ার আগে দুই দিক দেখা উচিত, সম্ভব হলে চিহ্নিত পারাপার ব্যবহার করা উচিত এবং মনে রাখা উচিত যে দর্শনার্থীরা যেভাবে আশা করেন তার চেয়ে ভিন্ন দিক থেকে যানবাহন আসতে পারে। ক্ষতি প্রতিরোধে বাড়ি ও কর্মস্থলে অ্যালার্ম, বের হওয়ার পথ, ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং নিরাপত্তা নির্দেশনা ব্যবহার করা হয়। ধোঁয়া শনাক্তকারী অ্যালার্ম, পরিষ্কার বের হওয়ার পথ, বিদ্যুতের নিরাপদ ব্যবহার এবং আগে থেকে নির্ধারিত মিলনস্থল অগ্নিনিরাপত্তা প্রস্তুতির মৌলিক অংশ। অনলাইন নিরাপত্তাও ব্যক্তিগত নিরাপত্তার অংশ। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড, ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের গোপনীয়তা-সেটিংস, ব্যক্তিগত তথ্য সাবধানে ব্যবহার করা এবং অপ্রত্যাশিত অর্থপ্রদানের অনুরোধে সন্দেহপ্রবণ থাকা প্রতারণা ও অপব্যবহার থেকে মানুষকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। সাধারণ সতর্কতা মেনে চললে গণপরিবহন ও ব্যস্ত জায়গা সাধারণত সামলানো যায়। গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখুন, কর্মীদের নির্দেশনা মেনে চলুন এবং অনিরাপদ মনে হয় এমন আচরণ বা পরিস্থিতি থেকে সরে যান। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঝুঁকি কমায়, কিন্তু তা পুরোপুরি দূর করতে পারে না। সবচেয়ে কার্যকর প্রথম পদক্ষেপ হলো সঠিক যোগাযোগের পথ জানা, আপনি যে জায়গায় আছেন তা বোঝা এবং কিছু সাধারণ সমস্যা ঘটার আগেই তার জন্য প্রস্তুত থাকা।
নিরাপত্তা: যুক্তরাজ্যে
যুক্তরাজ্যে দৈনন্দিন নিরাপত্তার ব্যবস্থা সাধারণত সুসংগঠিত; জরুরি পরিষেবা, জনসাধারণের নিয়ম এবং স্থানীয় সহায়তা একসঙ্গে কাজ করে। যাত্রাপথ পরিকল্পনা করা, ব্যক্তিগত জিনিসপত্র সুরক্ষিত রাখা, সড়ক ও অগ্নিনিরাপত্তার নির্দেশনা মেনে চলা এবং কার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে তা জানা—এসবের মাধ্যমে অধিকাংশ মানুষ নিরাপদ থাকেন। জরুরি অবস্থা, অ-জরুরি পুলিশি বিষয় এবং স্বাস্থ্যসংক্রান্ত উদ্বেগের জন্য আলাদা নম্বর ও পরিষেবা প্রযোজ্য।
Tip
প্রধান জরুরি ও পরামর্শের নম্বরগুলো সংরক্ষণ করুন, তারপর বাড়ি, যাতায়াত এবং যোগাযোগের জন্য একটি সহজ পরিকল্পনা তৈরি করুন। গুরুত্বপূর্ণ যাত্রার তথ্য বিশ্বস্ত কারও সঙ্গে ভাগ করুন এবং ফোনে চার্জ না থাকলেও প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যায় তা নিশ্চিত করুন। কোনো কিছু তাৎক্ষণিকভাবে বিপজ্জনক মনে হলে নিরাপদ জায়গার দিকে সরে গিয়ে সহায়তা নিন।

