জীবনের পর্যায় বলতে শৈশবের প্রথম দিক, শৈশব, কৈশোর, প্রাপ্তবয়স্ক জীবন বা পরবর্তী জীবনের মতো বিস্তৃত সময়কে বোঝায়। যুক্তরাজ্যে এসব পর্যায়ের সামাজিক অর্থ আছে, তবে সবাই একই ক্রমে জীবনের বিভিন্ন মাইলফলকে পৌঁছান না। জীবনের প্রথম দিক সাধারণত যত্ন, খেলা, স্বাস্থ্য ও শেখাকে কেন্দ্র করে। পরিবারে বাবা-মা, সৎ-সম্পর্কের আত্মীয়, পালক-অভিভাবক, দত্তক আত্মীয়, দাদা-দাদি বা অন্য স্থিতিশীল পরিচর্যাকারী থাকতে পারেন। স্কুলের বছরগুলোতে স্বাধীনতা, বন্ধুত্ব, দায়িত্ব এবং পরবর্তী পড়াশোনা নিয়ে সিদ্ধান্ত বাড়ে। ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও উত্তর আয়ারল্যান্ডে শিক্ষা-ব্যবস্থা ও পরিভাষা আলাদা। তরুণ প্রাপ্তবয়স্করা পড়াশোনা, প্রশিক্ষণ, কাজ বা ভ্রমণ করতে পারেন; পরিবারের সঙ্গে থাকতে, বাড়ি ভাড়া নিতে বা এসবের কয়েকটি একসঙ্গে করতে পারেন। বাড়ি ছেড়ে যাওয়াকে প্রায়ই স্বাধীনতার লক্ষণ হিসেবে দেখা হয়, কিন্তু আবাসনের খরচ, পরিচর্যার দায়িত্ব, সংস্কৃতি ও ব্যক্তিগত পছন্দ এর সময় নির্ধারণে প্রভাব ফেলে। প্রাপ্তবয়স্ক জীবনে চাকরি, সঙ্গী হওয়া, বিয়ে, বিচ্ছেদ, অভিভাবকত্ব, পরিচর্যা বা একা থাকা থাকতে পারে। এগুলোর কোনোটিই পূর্ণ বা সফল জীবন হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার শর্ত নয়। নতুন চাকরি, বেকারত্ব, নতুন প্রশিক্ষণ, অসুস্থতা বা পরিচর্যার বিরতির কারণে কর্মজীবনে প্রায়ই পরিবর্তন আসে। সরকারি পরিষেবা, নিয়োগকর্তা, পরিবার, দাতব্য প্রতিষ্ঠান ও কমিউনিটি নেটওয়ার্ক—সবাই আলাদা ধরনের সহায়তা দিতে পারে। পরবর্তী জীবনে বেতনের কাজ, অবসর, স্বেচ্ছাসেবা, পরিচর্যা, অবসরকালীন অবসরযাপন বা বাড়তি স্বাস্থ্যগত চাহিদা থাকতে পারে। ব্যক্তির পরিস্থিতি অনুযায়ী নিজের সাধারণ বাড়িতে, সহায়তাপ্রাপ্ত আবাসনে বা পরিচর্যাকেন্দ্রে স্বাধীনভাবে থাকা চালিয়ে যেতে পারেন। জীবনের পরিবর্তন একই সঙ্গে সুযোগ ও চাপ আনতে পারে। পরিকল্পনা সাহায্য করে, তবে নমনীয় প্রত্যাশা জরুরি, কারণ স্বাস্থ্য, অর্থ, সম্পর্ক ও দায়িত্ব বদলাতে পারে।
যুক্তরাজ্যে জীবনের বিভিন্ন পর্যায়
যুক্তরাজ্যে জীবনের বিভিন্ন পর্যায় পরিবার, শিক্ষা, কাজ, স্বাস্থ্য, সম্পর্ক এবং বয়স বাড়ার অভিজ্ঞতায় গড়ে ওঠে। অভিজ্ঞতায় ব্যাপক পার্থক্য রয়েছে; তাই শৈশব, প্রাপ্তবয়স্ক জীবন, অভিভাবকত্ব ও অবসরকে নির্দিষ্ট জীবনপথের বদলে সাধারণ বর্ণনা হিসেবে দেখা ভালো।
Tip
অন্য কারও সময়সূচির সঙ্গে নয়, নিজের প্রয়োজনের সঙ্গে আপনার পরবর্তী জীবনের পরিবর্তন মিলিয়ে দেখুন। যুক্তরাজ্যে মানুষজন, অর্থ, স্বাস্থ্য ও ব্যবহারিক দায়িত্ব নিয়ে ছোট একটি পরিকল্পনা পরিবর্তন সামলানো সহজ করতে পারে।

