নেপালের শ্রম আইন ২০১৭ এবং তার সহায়ক শ্রম বিধিমালা ২০১৮ মুনাফাভিত্তিক বা অলাভজনক কোম্পানি, ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠান, অংশীদারি ব্যবসা, সমবায়, সমিতি এবং শিল্প, ব্যবসা ও পরিষেবার অন্যান্য সংস্থায় প্রযোজ্য। নেপালে কাজ করা বিদেশি প্রতিষ্ঠানও তাদের প্রতিনিধি ও কর্মীর ক্ষেত্রে এর আওতায় পড়ে। গৃহকর্ম বিশেষ নিয়মে অন্তর্ভুক্ত। সরকারি চাকরি, নেপাল সেনাবাহিনী, নেপাল পুলিশ, সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী ও জাতীয় তদন্ত বিভাগ আলাদা ব্যবস্থা অনুসরণ করে। বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিশেষ বিধি থাকতে পারে; চুক্তিতে আইন গ্রহণ করা না থাকলে কর্মরত সাংবাদিকেরা আইনের বাইরে। জোরপূর্বক শ্রম এবং ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, জাত, উপজাতি, উৎস, ভাষা ও মতাদর্শের মতো কারণে বৈষম্য নিষিদ্ধ। সমমূল্যের কাজে লিঙ্গনির্বিশেষে সমবেতন দিতে হয়। ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি শিশু। ১৪ বছরের কম বয়সে কাজ নিষিদ্ধ; ১৮ বছরের কম বয়সীদের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োগ নিষিদ্ধ। ১৪–১৭ বছর বয়সী কর্মী দিনে ছয় ঘণ্টা ও সপ্তাহে ৩৬ ঘণ্টা পর্যন্ত, এবং ১৮:০০–০৬:০০ সময়ের বাইরে কাজ করতে পারেন। কর্মচুক্তিতে সাধারণত পারিশ্রমিক, সুবিধা, কাজের শর্ত ও নির্ধারিত অন্যান্য বিষয় থাকতে হয়। প্রধান ধরন নিয়মিত, কাজভিত্তিক, সময়ভিত্তিক, দৈনিক ও খণ্ডকালীন কর্মসংস্থান। এক মাসে সর্বোচ্চ সাত দিনের কাজ দৈনিক কর্মসংস্থান; লিখিত চুক্তির নিয়মে এটি প্রধান ব্যতিক্রম। খণ্ডকালীন কাজ সপ্তাহে সর্বোচ্চ ৩৫ ঘণ্টা। কাজ বা পরিষেবা শুরুর সঙ্গে কর্মসম্পর্ক শুরু হয়। পরীক্ষাকাল সর্বোচ্চ ছয় মাস; নিয়োগকর্তা পরীক্ষাকালে কর্মসম্পর্ক শেষ না করলে আইন অনুযায়ী কর্মী স্থায়ী হন। শিক্ষানবিশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চুক্তি ও অনুমোদিত পাঠক্রমে কাজ করেন; সীমা দিনে আট ঘণ্টা ও সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টা। প্রশিক্ষণার্থী সর্বোচ্চ এক বছর থাকতে পারেন এবং অন্তত ন্যূনতম পারিশ্রমিক ও সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা পান। শ্রম সরবরাহকারীকে লাইসেন্স নিতে হয়; কর্মী কেবল মূল কাজের বাইরের কাজে সরবরাহ করা যায়। প্রধান নিয়োগকর্তা লঙ্ঘনের জন্য দায়ী থাকতে পারেন; সরবরাহকারী কর্মীর কাছ থেকে ফি বা কমিশন নিতে পারেন না। বিদেশি কর্মীর কাজের পারমিট লাগে; নিয়োগকর্তাকে সাধারণত উপযুক্ত দক্ষ নেপালি কর্মী নেই তা দেখিয়ে দেশব্যাপী শূন্যপদের বিজ্ঞাপন দিতে হয়। আইননির্ধারিত মান বিদেশি-কর্মসংস্থান চুক্তিতেও সাধারণত প্রযোজ্য; চুক্তিতে অন্য সময় না থাকলে মেয়াদের স্বাভাবিক সর্বোচ্চ সীমা তিন বছর। স্বাভাবিক কাজের সময় দিনে আট ঘণ্টা ও সপ্তাহে ৪৮ ঘণ্টায় সীমিত। পাঁচ ঘণ্টা কাজের পর ৩০ মিনিটের বিরতি পাওয়া যায়; এটি কাজের সময় হিসেবে গণ্য। ওভারটাইম দিনে চার ঘণ্টা ও সপ্তাহে ২৪ ঘণ্টায় সীমিত এবং সাধারণত বাধ্যতামূলক নয়; তবে জীবন, নিরাপত্তা বা স্বাস্থ্যের বিপদ, অথবা গুরুতর ক্ষতির যথেষ্ট ঝুঁকির পরিস্থিতি ব্যতিক্রম। ওভারটাইমে মূল পারিশ্রমিকের দেড় গুণ দিতে হয়। সূর্যাস্তের পর কাজে যোগ দেওয়া বা সূর্যোদয়ের আগে কাজ শেষ করা নারীদের পরিবহন দিতে হয়। সাপ্তাহিক ছুটি এক দিন। বছরে ১৩ দিনের বেতনসহ সরকারি ছুটির মধ্যে মে দিবস রয়েছে; নারী কর্মীরা আন্তর্জাতিক নারী শ্রমিক দিবসসহ ১৪ দিন পান। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ২১ দিনের মধ্যে বিকল্প ছুটি দিতে হয়। প্রতি ২০ কর্মদিবসে এক দিন গৃহছুটি জমে; বছরে ১২ দিনের বেতনসহ অসুস্থতার ছুটি, মাতৃত্বকালীন ১৪ সপ্তাহের ছুটি—জন্মের আগে অন্তত দুই এবং পরে ছয় সপ্তাহ—এবং ৬০ দিনের পূর্ণ বেতন রয়েছে। পিতৃত্ব বা মাতৃত্ব-যত্ন ছুটি ১৫ দিন; শোক ছুটি ১৩ দিন বেতনসহ। গৃহছুটি ৯০ দিন ও অসুস্থতাজনিত ছুটি ৪৫ দিন পর্যন্ত জমা রাখা যায়। অন্যান্য ছুটি অনেক ক্ষেত্রে নিয়োগকর্তার সুবিধা বা প্রযোজ্য বিধির ওপর নির্ভর করে; সব ক্ষেত্রে নিঃশর্ত অধিকার নয়। প্রথম কর্মদিবস থেকে বেতন জমে এবং বেতনের বিরতি এক মাসের বেশি হতে পারে না। এক বছর পর বার্ষিক বৃদ্ধি মাসিক মূল বেতনের হিসাবে অন্তত অর্ধদিনের পারিশ্রমিক। এক মাসের মূল বেতনের সমান উৎসব-খরচ আইননির্ধারিত মুনাফা-বোনাস থেকে আলাদা। ১৭ জুলাই ২০২৫ থেকে সাধারণ ন্যূনতম পারিশ্রমিক মাসে NPR 19,550: মূল বেতন NPR 12,170 এবং মহার্ঘ ভাতা NPR 7,370; দৈনিক ন্যূনতম NPR 754, ঘণ্টায় NPR 101 ও খণ্ডকালীন কাজে ঘণ্টায় NPR 107। চা-বাগানে আলাদা হার। যোগ্য মুনাফাভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অর্থবছরের অন্তত অর্ধেক পার হওয়ার পর সাধারণত বোনাস আইন ২০৩০ অনুযায়ী নিট মুনাফার ১০% বরাদ্দ করে; দৈনিক ও পালাভিত্তিক কর্মী এ ব্যবস্থার বাইরে। আইনসম্মত কর্তনের মধ্যে কর, বাধ্যতামূলক ফি, ভবিষ্য তহবিল, বিমা ও সামাজিক নিরাপত্তার অবদান, বিচারিক/সালিশি আদেশ, অনুমোদিত সুবিধা, অনুপস্থিতি, প্রমাণিত অবহেলাজনিত বা ইচ্ছাকৃত ক্ষতি, যৌথ চুক্তির কর্তন, ইউনিয়ন ফি এবং নিয়োগকর্তার ঋণ বা অগ্রিম রয়েছে। সামাজিক নিরাপত্তা তহবিল (SSF) প্রযোজ্য না হলে আইনি বিকল্প সুরক্ষায় কর্মীর ১০% এবং নিয়োগকর্তার ১০% ভবিষ্য তহবিল অবদান, মাসিক মূল বেতনের 8.33% গ্র্যাচুইটি, বছরে অন্তত NPR 100,000 চিকিৎসা বিমা এবং অন্তত NPR 700,000 দুর্ঘটনা বিমা থাকতে পারে; দুর্ঘটনা বিমার প্রিমিয়াম নিয়োগকর্তা দেন। আনুষ্ঠানিক SSF অবদান কাঠামোয় মোট ৩১% মূল বেতন: কর্মীর ১১% ও নিয়োগকর্তার ২০%। SSF-এ চিকিৎসা, স্বাস্থ্য ও মাতৃত্ব, দুর্ঘটনা ও অক্ষমতা, নির্ভরশীল পরিবারের সহায়তা এবং বার্ধক্যের প্রকল্প রয়েছে। २०८० সাল থেকে অনানুষ্ঠানিক ও স্বনিযুক্ত কর্মীদের নিবন্ধন ও অবদানের প্রক্রিয়া চালু; সরকারি, প্রাদেশিক বা স্থানীয় সহ-অবদান পাওয়া যেতে পারে। SSF-এ অংশগ্রহণে শ্রম আইনের সব অধিকার—যেমন চুক্তির বেতন বা বেআইনি চাকরিচ্যুতির সুরক্ষা—স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিস্থাপিত হয় না। নিয়োগকর্তাকে পেশাগত নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যনীতি তৈরি, নিবন্ধন ও বাস্তবায়ন করতে হয়। রাসায়নিক, ভৌত ও জৈবিক ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ, বোধগম্য ভাষায় তথ্য ও প্রশিক্ষণ, নিরাপদ প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ এবং বিনা মূল্যে সুরক্ষাসামগ্রী দিতে হয়। কর্মীদের নিরাপত্তার নির্দেশ মানতে ও সরঞ্জাম ব্যবহার করতে হয়। তাৎক্ষণিক বিপদের মুখে কর্মী তা জানাতে পারেন এবং যুক্তিসঙ্গত হলে শ্রম কার্যালয়ের বাধ্যতামূলক সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত কাজ থামাতে পারেন। দুর্ঘটনা, মৃত্যু ও পেশাগত রোগ দ্রুত জানাতে হয়। গর্ভাবস্থায় বেতন না কমিয়ে উপযুক্ত বা সহজ কাজ দিতে হয়। কর্মস্থলে বা কাজের সময় যৌন হয়রানি নিষিদ্ধ; এতে চাকরিচ্যুতি হতে পারে। ট্রেড ইউনিয়ন, ভুক্তভোগী বা পরিবারের সদস্য নিয়োগকর্তা বা প্রধান নির্বাহীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে পারেন। কর্মীরা ইউনিয়ন গঠন, যোগদান ও ইউনিয়নের কার্যক্রমে অংশ নিতে পারেন। অন্তত ১০ কর্মীর প্রতিষ্ঠানে যৌথ দর-কষাকষি কমিটি আবশ্যক। অনুমোদিত ইউনিয়ন না থাকলে ৬০%-এর বেশি কর্মীর স্বাক্ষরে প্রতিনিধি বাছাই হতে পারে। দর-কষাকষির নোটিশে নিয়োগকর্তাকে সাত দিনের মধ্যে উত্তর দিতে হয়। ২১ দিন পরও আলোচনা ব্যর্থ হলে শ্রম কার্যালয় সর্বোচ্চ ৩০ দিন মধ্যস্থতা করতে পারে। চুক্তিতে বাধ্যতামূলক করা হলে, অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল বা জরুরি অবস্থার মতো ক্ষেত্রে সালিশ বাধ্যতামূলক হয়। ধর্মঘটের জন্য নিয়োগকর্তা, স্থানীয় প্রশাসন ও শ্রম কার্যালয়কে অন্তত ৩০ দিন আগে লিখিত নোটিশ দিতে হয়; দায়িত্বে থাকা প্রহরী ও নিরাপত্তারক্ষীরা এর বাইরে। ইউনিয়নে হস্তক্ষেপ, প্রতিশোধ, হয়রানি, বেআইনি লকআউট, হামলা ও জবরদস্তি অন্যায্য শ্রমচর্চা। ব্যক্তিগত দাবি সাধারণত নিয়োগকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়ে শুরু হয়; নিয়োগকর্তাকে রসিদ দিতে এবং ১৫ দিনের মধ্যে মীমাংসা করতে হয়। সাত দিনে অভিযোগ নিয়ে আলোচনা না হলে বা ১৫ দিনে সমাধান না হলে কর্মী শ্রম কার্যালয়ে মধ্যস্থতার আবেদন করতে পারেন। কার্যালয়ের মীমাংসায় ২১ দিন এবং পরে সিদ্ধান্তে আরও ১৫ দিন সময় থাকে। শ্রম কার্যালয় ও DOLOS ন্যূনতম বেতন, বেআইনি কর্তন, ভবিষ্য তহবিল, গ্র্যাচুইটি, SSF, বিমা, চুক্তি, বৈষম্য, শ্রম সরবরাহ ও বিদেশি কাজের পারমিটসহ বিষয় পরিদর্শন ও দেখে। প্রাসঙ্গিক আপিল ও গুরুতর পেশাগত নিরাপত্তা বা জোরপূর্বক শ্রমের মামলা শ্রম আদালতে যায়; সাধারণ আপিলের সময়সীমা ৩৫ দিন। চাকরির নিরাপত্তার জন্য যথাযথ ও পর্যাপ্ত কারণ প্রয়োজন। সময়ভিত্তিক চাকরি মেয়াদ শেষ হলে, কাজভিত্তিক চাকরি নির্দিষ্ট কাজ শেষ হলে এবং দৈনিক চাকরি যেকোনো পক্ষ চাইলে শেষ করতে পারে। লিখিত পদত্যাগ ১৫ দিনের মধ্যে গ্রহণ করা হয়; এরপর উত্তর না এলে গৃহীত বলে ধরা হয়। অযোগ্যতার কারণে চাকরিচ্যুতিতে অন্তত ১০ কর্মীর প্রতিষ্ঠানে সাধারণত টানা তিন বছর অসন্তোষজনক কর্মদক্ষতা এবং ব্যাখ্যার জন্য অন্তত সাত দিন দিতে হয়। স্বাস্থ্যগত অক্ষমতায় সাধারণত চিকিৎসকের সুপারিশ প্রয়োজন; কর্মস্থলের দুর্ঘটনা ও পেশাগত রোগে বিশেষ সুরক্ষা আছে। অসদাচরণ ছাড়া চার সপ্তাহ পর্যন্ত চাকরিতে এক দিন, চার সপ্তাহের বেশি থেকে এক বছর পর্যন্ত সাত দিন এবং এক বছরের বেশি হলে ৩০ দিনের নোটিশ লাগে; নোটিশ না দিলে সমপরিমাণ পারিশ্রমিক দিতে হয়। অসদাচরণে কর্মীকে ব্যাখ্যার জন্য সাত দিন দিতে হয়; গুরুতর ক্ষেত্রে চাকরিচ্যুতি হতে পারে। আর্থিক সমস্যা, অতিরিক্ত কর্মী বা প্রতিষ্ঠান বন্ধে ছাঁটাইয়ের জন্য আলোচনা ও ৩০ দিনের আগাম নোটিশ লাগে। প্রতি পূর্ণ চাকরিবর্ষে এক মাসের মূল বেতন, এক বছরের কমে আনুপাতিক ক্ষতিপূরণ দিতে হয়; বেকার ভাতা প্রযোজ্য হলে একই ছাঁটাই ক্ষতিপূরণ আবার যোগ হয় না। ১০ বা তার কম কর্মীর নিয়োগকর্তার ক্ষেত্রে ছাঁটাইয়ের এই প্রক্রিয়া প্রযোজ্য নয়। বাধ্যতামূলক অবসরের বয়স ৫৮। চূড়ান্ত পারিশ্রমিক ও সুবিধা ১৫ দিনের মধ্যে দিতে হয়; অনুরোধে অভিজ্ঞতার সনদও দিতে হয়।
নেপালের শ্রম আইন
নেপালের শ্রম আইন ২০১৭ ও শ্রম বিধিমালা ২০১৮ কর্মচুক্তি, কাজের সময়, বেতন, নিরাপত্তা, প্রতিনিধিত্ব, বিরোধ ও চাকরি শেষের ন্যূনতম নিয়ম নির্ধারণ করে। কাঠামোটি নিবন্ধিত কোম্পানি ও বহু ধরনের প্রতিষ্ঠানে প্রযোজ্য; সরকারি কর্মচারী, নিরাপত্তা বাহিনী ও কিছু বিশেষ গোষ্ঠীর জন্য আলাদা নিয়ম রয়েছে। আনুষ্ঠানিক সুরক্ষা থাকলেও তার প্রাপ্যতা অসম, কারণ ILO-র ২০১৯ সালের শ্রমশক্তি জরিপে কর্মসংস্থানের প্রায় 84.6% অনানুষ্ঠানিক ছিল।
Tip
নেপালে আপনার কর্মসংস্থানের অবস্থা, লিখিত শর্ত, বেতনের নথি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিবন্ধন আলাদা করে যাচাই করুন। অনানুষ্ঠানিক শ্রমবাজারে শ্রম আইনের আনুষ্ঠানিক সুরক্ষা প্রয়োগ করা কঠিন হতে পারে; তাই প্রমাণ রাখুন এবং শ্রম কার্যালয়ে যাওয়ার আগে নিয়োগকর্তার কাছে অভিযোগ জানানোর পথ ব্যবহার করুন। SSF নিবন্ধন চুক্তিগত বেতন, চাকরিচ্যুতির সুরক্ষা বা যৌথ অধিকারকে প্রতিস্থাপন করে—এমন ধরে নেবেন না।

