বাংলাদেশে ঋণ

বাংলাদেশে পরিবার, ব্যবসা বা রাষ্ট্র যখন অর্থ বা অন্য কোনো কাজের দায়ে থাকে, তখন ঋণ তৈরি হয়। ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও সনদপ্রাপ্ত ক্ষুদ্রঋণ সংস্থার আনুষ্ঠানিক ঋণের পাশাপাশি বন্ধু, আত্মীয়, নিয়োগকর্তা, মহাজন ও স্থানীয় দোকান থেকে ধার নেওয়া হয়। প্রকৃত ঋণভার নির্ভর করে পরিশোধ, সুদ বা পরিষেবা-চার্জ, ফি, জামানত, খেলাপির পরিণতি এবং আইনি প্রয়োগের সম্ভাবনার ওপর।

Tip

বাংলাদেশে প্রতিটি নতুন ঋণকে প্রকৃত মোট দেনা ও উপলভ্য নগদ প্রবাহের ওপর তার চাপ অনুযায়ী মূল্যায়ন করুন। নিয়ন্ত্রিত প্রদানকারীর লিখিত চুক্তির শর্ত সাধারণত অনানুষ্ঠানিক ঋণের চেয়ে সহজে যাচাই করা যায়, তবে কিস্তি, জামানত ও খেলাপির পরিণতি নিজেকেই খতিয়ে দেখতে হবে। পরিশোধে সমস্যা হলে আগে থেকেই লিখিতভাবে সাড়া দিন, কারণ পুনঃতফসিল, অভিযোগ ও আইনি সহায়তার নিজস্ব শর্ত ও সময়সীমা রয়েছে।